গ্রুপ চ্যাটে উদ্বেগজনক একটি ছবি এল। সঙ্গে ছোট নির্দেশ: এখনই ছড়িয়ে দিন। ছবিটি কোথাকার, কখন তোলা কিংবা বিবরণ ঠিক কি না জানার আগেই তাড়াহুড়ো তৈরি হলো। বোঝার গতির চেয়ে প্রতিক্রিয়ার গতি বেশি হয়ে গেল।
বাংলাদেশ ও বিশ্বের নানা সমাজে এটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ অনলাইন আলোচনা এখন দৈনন্দিন সামাজিক জীবনের অংশ। বিভ্রান্তিকর পোস্ট অনিশ্চয়তাকে সন্দেহে পরিণত করতে পারে। বারবার দেখলে দাবি পরিচিত মনে হয়, কিন্তু পরিচিতি স্বাধীন প্রমাণ নয়।
কিছু প্রশ্ন নিয়ে থামা সহায়ক। মূল সূত্র আছে কি? তারিখ দাবির সঙ্গে মেলে কি? ছবিতে যে ঘটনা আছে, সেটির কথাই বলা হচ্ছে কি? নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্র প্রেক্ষাপট দিয়েছে কি? উত্তর না পেলে শেয়ার না করাও যুক্তিসংগত সিদ্ধান্ত।
ছবিতে থাকা মানুষের কথাও ভাবতে হবে। সত্যিকারের ছবিও কাউকে অসহায় মুহূর্তে প্রকাশ করে দিতে পারে। জনস্বার্থ থাকলেই প্রতিটি ব্যক্তিগত তথ্য ছড়ানো ন্যায্য হয় না। বিষয়টি বুঝতে কারও মুখ, ঠিকানা বা পরিবারের বিবরণ সব সময় দরকার হয় না।
ভুল কিছু ছড়িয়ে ফেললে স্পষ্টভাবে সংশোধন করা ভালো। নীরবে মিলিয়ে যাবে আশা করার চেয়ে এতে দায়িত্ব নেওয়া হয়। সবার তদন্তকারী হওয়া দরকার নেই। কিন্তু মনোযোগেরও প্রভাব আছে, আর বার্তা অন্যের কাছে পাঠানো নিজের দায়িত্বের একটি সিদ্ধান্ত, সেটি মনে রাখা দরকার।
